প্রতিষ্ঠিত ২০২৬ · একটি নিবন্ধিত অলাভজনক সংস্থা

প্রতিটি এতিম শিশুর পাশে, প্রতিটি ভাঙা ঘরের ছাদে।

সিকদার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত জনপদে এতিম পুনর্বাসন, শিক্ষা বৃত্তি, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ ও দুর্যোগকালীন ত্রাণ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে — আপনার দান, সাদাকা ও যাকাতের সঠিক ব্যবহারের নিশ্চয়তাসহ।

সহায়তাপ্রাপ্ত এতিম শিশু
স্থাপিত নলকূপ
নির্মিত মসজিদ ও মাদ্রাসা
ত্রাণপ্রাপ্ত পরিবার

আমাদের সম্পর্কে

বিশ্বাস, স্বচ্ছতা ও নিরবচ্ছিন্ন সেবার এক দশক

সিকদার ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক, অরাজনৈতিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান, যা সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি দানের হিসাব দাতার কাছে থাকা উচিত — তাই প্রতিটি প্রকল্পের অগ্রগতি ও ব্যয়ের প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশ করি।

০১ · সততা

প্রতিটি টাকার হিসাব রাখা হয় ও বার্ষিক অডিট প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

০২ · সরাসরি প্রভাব

মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই দান সরাসরি সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছায়।

০৩ · টেকসই উন্নয়ন

সাময়িক ত্রাণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসনে গুরুত্ব দিই।

০৪ · কমিউনিটি নেতৃত্ব

স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করি।

আমাদের ইতিহাস ও বোর্ড সম্পর্কে জানুন

আমাদের কার্যক্রম

যেভাবে আমরা পরিবর্তন আনছি

প্রতিটি প্রকল্প ডিজাইন করা হয়েছে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনায় রেখে — জরুরি ত্রাণ থেকে শুরু করে টেকসই পুনর্বাসন পর্যন্ত।

🕌

মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ

প্রত্যন্ত অঞ্চলে মসজিদ ও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও সংস্কার।

বিস্তারিত জানুন →
🎓

শিক্ষা বৃত্তি কর্মসূচি

অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাসিক বৃত্তি, বই ও পোশাক প্রদান।

বিস্তারিত জানুন →
👶

এতিম পুনর্বাসন

এতিম শিশুদের খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পৃষ্ঠপোষকতা।

বিস্তারিত জানুন →
💧

বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা

খরাপ্রবণ ও আর্সেনিকদুষ্ট এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন।

বিস্তারিত জানুন →
🍚

খাদ্য ও ঈদ সামগ্রী

রমজান ও ঈদে অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য প্যাকেজ ও নতুন পোশাক বিতরণ।

বিস্তারিত জানুন →
🚑

জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা

বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগকালীন জরুরি ত্রাণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প।

বিস্তারিত জানুন →

চলমান প্রকল্প

এই মুহূর্তে আপনার সহায়তা প্রয়োজন

🕌

রংপুরে কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণ

৩,০০০ মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প।

সংগৃহীত: ৳১৭,০০,০০০লক্ষ্য: ৳২৫,০০,০০০
এই প্রকল্পে দান করুন
💧

৫০টি গভীর নলকূপ স্থাপন

উপকূলীয় অঞ্চলের ১০টি গ্রামে বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।

সংগৃহীত: ৳৪,২০,০০০লক্ষ্য: ৳১০,০০,০০০
এই প্রকল্পে দান করুন
🎓

৫০০ শিক্ষার্থীর বার্ষিক বৃত্তি

এতিম ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ।

সংগৃহীত: ৳৮,১০,০০০লক্ষ্য: ৳১০,০০,০০০
এই প্রকল্পে দান করুন

আমাদের প্রভাব

সংখ্যায় সিকদার ফাউন্ডেশন

২০১২ সাল থেকে এ পর্যন্ত অর্জিত ফলাফল।

সেবার অভিজ্ঞতা
কার্যক্রম বিস্তৃত এলাকা
দান সরাসরি প্রকল্পে ব্যয়
নিয়মিত দাতা পরিবার

দাতা ও সুবিধাভোগীদের কথা

যাদের জীবনে আমরা পাশে থেকেছি

ফাউন্ডেশনের বৃত্তি না পেলে আমার পক্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। আজ আমি দশম শ্রেণিতে পড়ছি।

— রাফসান, শিক্ষার্থী, কুড়িগ্রাম

প্রতি মাসে আমার যাকাত কোথায় যাচ্ছে, তার প্রতিবেদন হাতে পাই। এই স্বচ্ছতাই আমাকে নিয়মিত দাতা রেখেছে।

— সালমা বেগম, নিয়মিত দাতা

নলকূপ বসানোর পর আমাদের গ্রামের মানুষকে আর তিন কিলোমিটার হেঁটে পানি আনতে হয় না।

— আব্দুল করিম, গ্রাম প্রধান, সাতক্ষীরা

মাঠ পর্যায়ের চিত্র

গ্যালারি

সর্বশেষ সংবাদ

ফাউন্ডেশনের খবরাখবর

১০ জুলাই, ২০২৬

সাতক্ষীরায় নতুন ২০টি নলকূপ স্থাপন সম্পন্ন

উপকূলীয় পাঁচটি গ্রামে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে নতুন প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে।

২৮ জুন, ২০২৬

বার্ষিক অডিট প্রতিবেদন প্রকাশিত

২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূর্ণ আর্থিক প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

৫ জুন, ২০২৬

রংপুর মসজিদ নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৬৮%

দাতাদের সহায়তায় নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে।

আপনার সময়ও একটি দান

স্বেচ্ছাসেবক হয়ে ত্রাণ বিতরণ, শিক্ষা কার্যক্রম বা প্রশাসনিক কাজে আমাদের পাশে থাকুন।