মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ
প্রত্যন্ত অঞ্চলে মসজিদ ও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও সংস্কার।
বিস্তারিত জানুন →প্রতিষ্ঠিত ২০২৬ · একটি নিবন্ধিত অলাভজনক সংস্থা
সিকদার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রত্যন্ত জনপদে এতিম পুনর্বাসন, শিক্ষা বৃত্তি, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ ও দুর্যোগকালীন ত্রাণ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে — আপনার দান, সাদাকা ও যাকাতের সঠিক ব্যবহারের নিশ্চয়তাসহ।
২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করা আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা
আমাদের সম্পর্কে
সিকদার ফাউন্ডেশন ১লা জানুয়ারি ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক, অরাজনৈতিক ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান, যার প্রধান কার্যালয় কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম দেশব্যাপী পরিচালিত হলেও অগ্রাধিকার পায় সিকদার পরিবার ও কুমিল্লা জেলার সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী। আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি দানের হিসাব দাতার কাছে থাকা উচিত — তাই প্রতিটি প্রকল্পের অগ্রগতি ও ব্যয়ের প্রতিবেদন নিয়মিত প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিটি টাকার হিসাব রাখা হয় ও বার্ষিক অডিট প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই দান সরাসরি সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছায়।
সাময়িক ত্রাণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসনে গুরুত্ব দিই।
স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করি।
আমাদের কার্যক্রম
প্রতিটি প্রকল্প ডিজাইন করা হয়েছে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বিবেচনায় রেখে — জরুরি ত্রাণ থেকে শুরু করে টেকসই পুনর্বাসন পর্যন্ত।
প্রত্যন্ত অঞ্চলে মসজিদ ও দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ ও সংস্কার।
বিস্তারিত জানুন →অসহায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাসিক বৃত্তি, বই ও পোশাক প্রদান।
বিস্তারিত জানুন →এতিম শিশুদের খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পৃষ্ঠপোষকতা।
বিস্তারিত জানুন →খরাপ্রবণ ও আর্সেনিকদুষ্ট এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন।
বিস্তারিত জানুন →রমজান ও ঈদে অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য প্যাকেজ ও নতুন পোশাক বিতরণ।
বিস্তারিত জানুন →বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগকালীন জরুরি ত্রাণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প।
বিস্তারিত জানুন →চলমান প্রকল্প
৩,০০০ মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প।
উপকূলীয় অঞ্চলের ১০টি গ্রামে বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।
এতিম ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ।
আমাদের প্রভাব
২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমাদের অগ্রগতি ও লক্ষ্যমাত্রা।
দাতা ও সুবিধাভোগীদের কথা
ফাউন্ডেশনের বৃত্তি না পেলে আমার পক্ষে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না। আজ আমি দশম শ্রেণিতে পড়ছি।
— রাফসান, শিক্ষার্থী, কুড়িগ্রাম
প্রতি মাসে আমার যাকাত কোথায় যাচ্ছে, তার প্রতিবেদন হাতে পাই। এই স্বচ্ছতাই আমাকে নিয়মিত দাতা রেখেছে।
— সালমা বেগম, নিয়মিত দাতা
নলকূপ বসানোর পর আমাদের গ্রামের মানুষকে আর তিন কিলোমিটার হেঁটে পানি আনতে হয় না।
— আব্দুল করিম, গ্রাম প্রধান, সাতক্ষীরা
মাঠ পর্যায়ের চিত্র
সর্বশেষ সংবাদ
উপকূলীয় পাঁচটি গ্রামে বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে নতুন প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূর্ণ আর্থিক প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
দাতাদের সহায়তায় কুমিল্লায় নির্ধারিত সময়ের আগেই নির্মাণকাজ এগিয়ে চলছে।
স্বেচ্ছাসেবক হয়ে ত্রাণ বিতরণ, শিক্ষা কার্যক্রম বা প্রশাসনিক কাজে আমাদের পাশে থাকুন।